হুন্ডি কি? হুন্ডি কেন অবৈধ? হুন্ডির সুবিধা অসুবিধা কি? Hundi:
হুন্ডি কি?
একদেশ থেকে অন্যদেশে অবৈধ উপায়ে অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি হলো ‘হুন্ডি‘। হুন্ডি হলো প্রচলিত ব্যাংকিং পদ্ধতি বর্হিভূত অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তরের একটি ব্যবস্থা। হুন্ডি পদ্ধতির মাধ্যমে দুই পক্ষের লিখিত চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ লেনদেন হয়ে থাকে। এই পদ্ধতিকে বিনিময় বিল বা Bill of Exchange বলা হয়ে থাকে।
বর্তমানে শতকরা ৪৯ শতাংশ প্রবাসীর বৈধ উপায়ে দেশে টাকা না পাঠিয়ে অবৈধ উপায় তথা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা দেশে পাঠাচ্ছেন।
হুন্ডি বলতে কি বোঝায়?
সংস্কৃত শব্দ ‘হুন্ড’ (Hund) থেকে ‘হুন্ডি’ (Hundi) শব্দটি উদ্ভূত হয়েছে। এটির অর্থ হলো ‘সংগ্রহ করা’। মূলত এই হুন্ডি প্রক্রিয়া হলো একটি লিখিত ও শর্তহীন দলিল, যেটির মাধ্যমে এক দেশ বা স্থান থেকে অন্য দেশে বা স্থানে সহজেই অর্থ লেনদেন করা সম্ভবপর হয়ে উঠে।
তবে দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে এই ধরনের অপ্রাতিষ্ঠানিক লেনদেন সম্পূর্ণ অবৈধ।
বিদেশে অর্থ পাচার এবং দেশে অবৈধভাবে টাকা আনয়নের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের চোখ ফাঁকি দেওয়া সম্ভব এই হুন্ডি পদ্ধতির মাধ্যমে।
অন্য পোস্ট পড়ুন
হুন্ডির ইতিহাস কি?
এই হুন্ডি ব্যবস্থা মুগল আমলে চালু হলেও ব্রিটিশ আমলে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
মধ্যযুগে ভারতবর্ষে সম্পদ লেনদেনের জন্য এই প্রথা প্রথম চালু করা হয়।
তৎকালীন সময়ে বানিজ্যিক কর্মকান্ডে সমুদ্র বন্দরে ডাকাতের আতঙ্ক থেকেই লিখিতভাবে অর্থ লেনদেনের প্রচলন শুরু হয়। যা বর্তমানে ব্যাংকের চেকের সাথে তুলনা করা যায়।
১৭৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধের অন্যতম কুখ্যাত চরিত্র ‘জগৎ শেট’ও ছিলেন একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী বা মহাজন। গোটা ভারত জুড়ে ছিল তার হুন্ডির কারবার। মুঘল আমলের সফল কার্যকারিতার পর ব্রিটিশ আমলে এটি দেশীয় লেনদেনের অন্যতম প্রধান উপায় হয়ে উঠে।
হুন্ডি কিভাবে কাজ করে?
যেহেতু হুন্ডি একটি প্রচলিত দেশীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা বর্হিভূত একটি লেনদেন ব্যবস্থা সেহেতু এই প্রক্রিয়ায় সরকারী কোনো কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। সাধারণ প্রবাসী আর হুন্ডি ব্যবসায়ীর মধ্যকার মৌখিক নির্দেশনার মাধ্যমে এই পদ্ধতিতে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়।
একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি সহজেই অনুধাবন করা সম্ভব।
ধরুন, আপনার ভাই (রহিম) একজন প্রবাসী। কোনো কারনে রহিম চিন্তা করলো, এইবার সে ব্যাংকের মাধ্যমে নয় বরং হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাবে।
তাহলে সে আর কোনো ব্যাংকে না গিয়ে তার নিকটবর্তী কোনো হুন্ডি ব্যবসায়ীর সাথে চুক্তি করবে, আপনার ভাইয়ের কাছ থেকে হুন্ডি ব্যবসায়ী কিছু পরিমাণ ইউরো (ইতালির মুদ্রা) রেখে দিবে। এবং হুন্ডি ব্যবসায়ী আপনার ভাইকে আশ্বস্ত করবে যে, আপনার ভাইয়ের পরিবার (আপনি) ইউরো’র সমপরিমাণ বাংলাদেশী টাকা পেয়ে যাবেন।
এরপর হুন্ডি ব্যবসায়ী তার বাংলাদেশী এজেন্ড বা দালালের মাধ্যমে ইউরো’র সমপরিমাণ টাকা আপনার বাড়িতে পৌঁছে দিবে। এইক্ষেত্রে আপনি বা আপনার পরিবারের লোকজনকে ব্যাংকে দৌড়াদৌড়ি করতে হয় না। এমনকি হুন্ডি ব্যবসায়ীরাও আপনার ভাইয়ের কাছে এসে ইউরো নিয়ে যাবে, তাকেও ব্যাংকে ছোটাছুটি করতে হবে না।
তো, আশা করি হুন্ডি ব্যবসাটি কিভাবে কাজ করে বুঝতে পেরেছেন। এবার চলুন জেনে আসা যাক, হুন্ডি পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি?
হুন্ডি এত জনপ্রিয় কেন?

হুন্ডি পদ্ধতি অবৈধ হলেও প্রবাসীরা বেশ কিছু কারনে তাদের বৈধ উপার্জন এই উপায়ে পাঠিয়ে থাকেন।
নিন্মে সুবিধা সমূহ তালিকা আকারে তুলে ধরা হলোঃ
হুন্ডি পদ্ধতির সুবিধা কি কি?
- হুন্ডিতে ডলারের রেট ব্যাংকের চেয়ে কিছুটা বেশী থাকে।
- যখন প্রয়োজন তখন এবং খুব দ্রুত সময়ের মাঝে পরিবারের কাছে সরাসরি টাকা পাঠাতে পারেন।
- প্রবাসীরা ব্যস্ততার কারনে ব্যাংকে গিয়ে টাকা পাঠানোর সময় পান না। এক্ষেত্রে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা ঘরে এসে টাকা নিয়ে যায় এবং বাড়িতে পৌঁছে দেয়।
- হুন্ডি’র মাধ্যমে টাকা পাঠানোর খরচ তুলনামূলক কম।
- নির্দিষ্ট সীমার বাহিরে টাকা পাঠালে গেলে নানা কাগজপত্রের ঝামেলা এবং জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হয়। এক্ষেত্রে হুন্ডি বেশী সুবিধাজনক। তবে বছর কয়েক আগে বাংলাদেশ ব্যাংক এই টাকার সীমা তুলে দিয়েছে।
- প্রবাসীরা জানান, দেশের ব্যাংকিং সেবার মান খুবই খারাপ। পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- ব্যাংকিং রেমিট্যান্সে প্রনোদনার হার ৫%। পূর্বে এটি মাত্র ২.৫% ছিল। এতে বৈধ পথে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে প্রবাসীরা উৎসাহিত হয় না।
- সবচেয়ে বড় সুবিধা যেসব প্রবাসীর কাগজপত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে অর্থাৎ অবৈধ ভাবে বিদেশের মাটিতে কাজ করতেছেন তাদের ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ উপায়ে টাকা পাঠানোর সুযোগ নেই। তাদের জন্য হুন্ডি পদ্ধতি অনেক বেশী সুবিধাজনক।
- অনেকের পাসপোর্ট সংশোধনের ফাইল জমা পড়ে আছে মাসের পর পর তারাও বৈধ উপায়ে দেশে অর্থ পাঠাতে পারছে না।
- হুন্ডি ব্যবসায়ীরা সহজ সরল প্রবাসীদের বুঝিয়ে একরকম বাধ্য করে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাতে। অনেকেই জানে না হুন্ডি ও ডিজিটাল লেনদেন সম্পূর্ণ অবৈধ।
এছাড়াও জরুরি সময়ে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা প্রবাসীর পরিবারের কাছে ধার হিসাবে টাকা পাঠিয়ে দেয়। একজন প্রবাসীর জরুরি কোনো প্রয়োজনে দেশে টাকা পাঠানোর দরকার পড়লো কিন্তু প্রবাসীর হাতে কাজ বা টাকা নেই।
তখন হুন্ডি ব্যবসায়ী প্রবাসীর পরিবারের কাছে টাকা পৌঁছে দেয়। এবং পরবর্তীতে প্রবাসীর কাছে থেকে সমমূল্যের বিদেশী মুদ্রা আদায় করে নেয়।
এইসকল সুবিধার কথা চিন্তা করেই প্রবাসীরা হুন্ডি’র মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে থাকে।
অন্য পোস্ট পড়ুন
হুন্ডি পদ্ধতির অসুবিধা কি কি?

আপাতত দৃষ্টিতে হুন্ডির কোনো অসুবিধা না থাকলেও প্রকৃতপক্ষে হুন্ডিতেও কিছু বড় অসুবিধা রয়েছে। তো চলুন, হুন্ডি পদ্ধতির অসুবিধা গুলো তালিকা আকারে দেখে নেওয়া যাক।
১. হুন্ডিতে মূলত এজেন্ট বা দালালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন হয়। এটির যেহেতু কোনো সরকারী হিসাব বা রেকর্ড নেই সেহেতু এটি চলে পুরোপুরি বিশ্বাসের উপর। তাই এই উপায়ে অর্থ লেনদেন বেশ খানিকটা ঝুকিপূর্ণ।
২. যেহেতু দেশের আইনে এই উপায়ে টাকা লেনদেনের বৈধতা নেই সেহেতু কোনো কারনে টাকা আত্মসাৎ হলে তা আর ফেরত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই৷
সরকারি বা আইনি সহায়তা নেওয়ার কোনো সুযোগও থাকে না। ফলে এমনও অনেক ইতিহাস আছে এই উপায়ে টাকা পাঠিয়ে টাকা হারিয়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছেন।
৩. প্রবাসীর বৈধ আয় অবৈধ হিসাবে বিবেচিত হয়।
৪. প্রবাসী বা রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসাবে রাষ্ট্রীয় কোনো সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় না।
৫. আয়কর রেয়াত পাওয়া যায় না।
৬। বিনিয়োগ বা ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
এই ধরনের ব্যক্তিগত ক্ষতি বা অসুবিধা ছাড়াও দেশের অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক এই হুন্ডি পদ্ধতি।
হুন্ডিতে টাকা পাঠালে দেশের ক্ষতি হয় কিভাবে?
যেহেতু হুন্ডি প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিপরীত একটি পদ্ধতি সেহেতু এই হুন্ডিতে আসা রেমিট্যান্সে সরকার কোনো শুল্ক বা রাজস্ব পায় না। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যায়।
হুন্ডির মাধ্যমে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়। আমদানি ব্যয় বেশী এবং রপ্তানি ব্যয় কম দেখায় অসাধু ব্যবসায়ীরা।
অবৈধ টাকার মালিকরা প্রবাসীদের টাকা বিদেশে রেখে সম্পদ পাচার করে।
আর এ ভাবেই কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে, যেটি দেশের অর্থনীতিতে বিরুপ প্রভাব ফেলে।
হুন্ডি কেন অবৈধ??

হুন্ডি এক ধরনের অর্থ পাচার। এই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ তথা অর্থ বিদেশে পাচার হয়।
সাধারণত সরকারি ট্যাক্স থেকে বাঁচার জন্য প্রবাসীরা স্বল্প খরচে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে থাকে।
যে রাষ্ট্রীয় অর্থ দেশ ও দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধিতে কাজে লাগতো তা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। ফলে দেশেীয় টাকার মান কমে যাবে। বৈদেশিক রিজার্ভ কমে যাবে। দ্রব্যমূল্যের দাম অধিক হারে বেড়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থার সৃষ্টি হবে। এইসকল কারনেই দেশে হুন্ডি অবৈধ।
হুন্ডি ব্যবসা ও এর মাধ্যমে লেনদেন কি হারাম?
হুন্ডি ব্যবসা এক ধরনের মুদ্রা বিনিময়। একদেশের মুদ্রার বিনিময়ে অন্য দেশের মুদ্রা কেনাবেচা। এটিতে শরিয়তের বৈধতা রয়েছে।
ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে হুন্ডি ব্যবসা হালাল। তাই হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করাও হালাল বা জায়েজ আছে।
তবে এক্ষেত্রে একটি শর্ত হলো, লেনদেন চুক্তির বৈঠক বা মিটিং এ’ই কমপক্ষে এক পক্ষকে মুদ্রা হস্তান্তর করতে হবে। দুইপক্ষের কেউই যদি নগদ অর্থ বা মুদ্রা বিনিময় না করে তবে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ হবে না।
আমাদের দেশে হুন্ডি ব্যবসা আইনিভাবে নিষিদ্ধ। তবে ইসলামি শরিয়তের নীতি হলো, রাষ্ট্রীয় কোনো আইন শরিয়তের বিধি বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক না হলে তা মেনে চলা আবশ্যক। তাই শরিয়তে জায়েজ হলেও দেশের আইনে নিষিদ্ধ থাকায় হুন্ডিতে অর্থ লেনদেনে বিরত থাকা উচিত।
দেশের নাগরিক হিসাবে আমাদের প্রত্যেকের উচিত রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলা এবং দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করা।
অন্যান্য পোস্ট
পুরাতন ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ায় নিয়ম
ফেসবুক পেজ খুলে টাকা ইনকামের ভিডিও দেখুন
প্রবাসীরা রেমিট্যান্স না পাঠালে কি দেশের অর্থনীতি অচল হয়ে পড়বে?
আমাদের দেশের (বাংলাদেশ) অর্থনীতির চাকা সচল রাখার মূল কান্ডারি দুইটি হলো ‘পোশাক শিল্প’ এবং ‘প্রবাসীদের রেমিট্যান্স’।
প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা দেশে আসে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসীদের আয়ের মাধ্যমে। তাই প্রশ্ন এসে যায় প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করে দিলে বা হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠালে কী দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর হয়ে পড়বে?
উত্তরটি হলো ‘না’। কেননা দেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল কান্ডারি পোশাক শিল্প কারখানা গুলো চলমান থাকলে পোশাক রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসবে। তবে রেমিট্যান্স না আসলে দেশের অর্থনীতি বিশাল এক ধাক্কা আসবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স হলো একটি পরিবারের বড় ছেলের মতোন। বড় ছেলেকে ছাড়া একটি পরিবার যেভাবে চলতে পারে রেমিট্যান্স না আালেও দেশের অবস্থা অনেকটা সেরকম হয়ে দাঁড়াবে।
হুন্ডির শাস্তি কি?
মানি লন্ডারিং আইন অনুযায়ী, কাগজপত্র বিহীন লেনদেন দন্ডনীয় অপরাধ। হুন্ডির শাস্তি বিধান অনুসারে দেশের আইনে হুন্ডি ব্যবসায়ীর ১২ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ আছে।
আর প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা জরিমানা এবং নিবন্ধন বাতিলের আদেশ রয়েছে।
হুন্ডি বন্ধ করার উপায়?
হুন্ডিতে অর্থ লেনদেন কমিয়ে আনতে সরকারি ভাবে কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা জরুরি। প্রথম প্রবাসীরা কেন হুন্ডিতে লেনদেন করতে উৎসাহিত হয় সেটি খুঁজে বের করতে হবে।
তাদের সুবিধা গুলো প্রাধান্য দিয়ে ব্যাংকিং সিস্টেম আরো জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে।
প্রবাসীদের প্রনোদনা বাড়িয়ে তাদের বৈধ পথে লেনদেনে আগ্রহী করে তুলতে হবে।
শাস্তির বিধান রেখে, হুন্ডি বন্ধ করা সম্ভব না। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের গুরুত্ব বুঝিয়ে তাদের সৎ পথে লেনদেনে উৎসাহিত করতে হবে।
অন্যান্য পোস্ট
নিয়মিত আমাদের পোস্ট গুলো পড়তে ক্যাপশন সাইট ডট কম ( Caption Site. Com) ওয়েবসাইটটি ফলো করুন। ধন্যবাদ।